Monday, March 14, 2011

কিবোর্ড সম্পর্কে ধারনা। ( Keyboard)



কিবোর্ড (Keyboard) - কম্পিউটারের কী-বোর্ড এবং সাধারণ টাইপ রাইটারের কী-বোর্ড দেখতে প্রায় একই রকম এবং টাইপ করার পদ্ধতিও একই রকম। টাইপ রাইটারের কী-বোর্ডের বোতাম গুলো শুধুমাত্র অক্ষর টাইপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। পক্ষান্তরে, কমিপউটারের কী-বোর্ডের বোতামের সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কমিপউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয় এবং আরো নানা রকম কাজে ব্যবহার করা হয়।

Friday, March 11, 2011

চিনে নিন আপনার pc এর সংযোজক গুলিকে।

আমরা প্রতিদিন কম্পিউটারের সঙ্গে নানান ডিভাইস সংযোগ করে থাকি কিন্তু যে কানেকটার (সংযোজক ) দিয়ে কানেকট করছি সেটার নাম সব সময় জানা থাকে না বা জানি না আমরা সাধারনত USB , DVI , Ps/2 SATA , PATA ইত্যাদির সঙ্গে পরিচিত থাকলেও বাকি কানেকটার (সংযোজক )গুলির নাম আমরা সকলে হয়তো জানি না তাদের নাম ব্যবহার নিয়ে আমার এই ছোট্ট টিউন । তার আগে জেনে নিই যা দিয়ে কানেক্ট করা হয় তাকে বলে Plug ও যার সঙ্গে কানেক্ট করা হয় তাকে বলে socket.তাহলে শুরু করা যাক …

প্রথমে বলি সর্বাধিক পরিচিত কানেকটার (সংযোজক ) USB

 জেনে নিন আপনার pc এর সংযোজক গুলিকে  | Techtunes
পুরো নাম – Universal Serial Bus
কিছু কথা ও ব্যবহার – এটা বলাই বাহুল্য যে সর্বাধিক ব্যবহৃত সংযোজক হল USB বা ( Universal Serial Bus) যা দিয়ে আমরা প্রতিদিন Keybords, Mice , printers , scaners , Modem , storage device, ও আরোও অনেক ডিভাইস কানেক্ট করে থাকি।
গতি – বর্তমানে এর মাধ্যেমে সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের গতিবেগ 60 Mb / sec

2. SATA

 জেনে নিন আপনার pc এর সংযোজক গুলিকে  | Techtunes
পুরো নাম -SERIAL ADVANCE TECHONOLOGY ATTACHMENT
কিছু কথা ও ব্যবহার – এটির মাধ্যেমে Hard Drives ও Optical Drives এর সঙ্গে সংযোগ করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি PATA কানেক্টারের মতো।
গতি – এটির মাধ্যমে সর্ব্বোচ্চ গতি 3 Gb/S

3.PS/2

 জেনে নিন আপনার pc এর সংযোজক গুলিকে  | Techtunes
পুরো নাম -IBM PERSONAL SYSTEM /2
কিছু কথা ও ব্যবহার – এটি একটি Input Device যার মধ্যমে Keybords, Mice সঙ্গে Pc সংযোজন করা হয়।সবুজ রং এর socket সঙ্গে মাউস ও বেগুনী রং এর socket সঙ্গে কিবোর্ড সংযোগ করা হয়। বলাই বাহুল্য বর্তমানে ps/2 জায়গা USB দখল করে নিয়েছে তার জন্য বর্তমানে খুব কম ব্যবহৃত।

Wednesday, March 9, 2011

Computer Hardwares (কমপিউটার হার্ডওয়ার)

কমপিউটার হার্ডওয়ার - একটি মাইক্রোকমপিউটার অনেক গুলো আলাদা আলাদা ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক যান্ত্রিক অংশ দ্বারা গঠিত। এই যন্ত্রগুলো সফটওয়ার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, এই গুলোর প্রত্যেকটিকে হার্ডওয়ার বলে। এর একটি অন্যটি থেকে সহজে পৃথক করা যায় এবং নতুন পার্টস দ্বারা পরিবর্তন করা যায়।
একটি কমপিউটার অনেকগুলি হার্ডওয়ারের সমষ্টি। উপরের ছবিতে নমুনা স্বরুপ কিছু হার্ডওয়ার দেখানো হলো-

কমপিউটার হার্ডওয়ারকে আবার দুই শ্রেনীতে ভাগ করা যায় :-


Primary Hardware প্রাইমারী হার্ডওয়ার
Secondary Hardware সেকেন্ডারী হার্ডওয়ার
Input Unit ইনপুট ইউনিট
Output Input আউটপুট ইউনিট
Central processing unit সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট
Computer Memory কমপিউটার মেমোরী বা স্মৃতি
Storage device তথ্য সংরক্ষন ইউনিট

Tuesday, March 1, 2011

Classification of Montherbord (মাদারবোর্ডের প্রকারভেদ)

   
মাদারবোর্ড সাধারনত ৩ ধরনের হয়ে থাকে । সেগুলো হলঃ
1st class :
1st class বলতে যে সকল কোম্পানী নিজেরাই মাদারবোর্ডের সকল পার্টস তৈরি করে এমনকি চিপ এ তাদের কোম্পানীগুলো এই ক্লাসের অন্তর্ভুক্ত । যেমন ইন্টেল এই কোম্পানী বহুদিন ধরেই সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছে । এরা নিজেরাই প্রসেসর , মাদারবোর্ড এবং চিপ তৈরি করে বিক্রি করে থাকে । এছাড়া এরা অন্যন্য কোম্পানীর কাছে নিজেদের তৈরি চিপ বিক্রি করে থাকে । সুতরাং ইন্টেলই সেরা 

Saturday, February 19, 2011

Operating System (অপারেটিং সিস্টেম )

অপারেটিং সিস্টেম -
অপারেটিং সিস্টেম কি ?  অপারেটিং সিস্টেম (সংক্ষেপে ওএস) মূলতঃ একটি সফটওয়্যার প্রোগ্রামতবে ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট ও অন্যান্য প্রোগ্রাম থেকে এটি আলাদাএকে বলা হয় মাষ্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামকমপিউটার যখন অন করা হয় তখন বুট করার জন্য প্রয়োজন হয় অপারেটিং সিস্টেমবুট করার পর কমপিডউটার বন্ধ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরো মেশিনের উপর কর্তৃত্ব বজায় রাখেওএস পিসির হার্ডওয়্যারএপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে কাজ করেআপনি যখন ওয়ার্ডের কোন ফাইল খুলছেন, ওএস সে মূহুর্তে হার্ড ডিস্ক থেকে ফাইলটি খুঁজে আপনার তুলে ধরছেআবার যখন গান শুনছেন,অপারেটিং সিস্টেম মিউজিক ফাইলটি সাউন্ড কার্ডে প্রেরণ করছে-ফলশ্রুতিতে স্পিকার থেকে গান ভেসে আসছেঅনুরূপভাবে আপনি যখন গেম খেলছেন তখনও সেই অপারেটিং সিস্টেমই বর্ণময় জটিল থ্রিডি গ্রাফিক্সকে ডিসপ্লে কার্ডে প্রেরণ করছেএক কথায় কমপিউটারে আপনি যাই করছেন তাই নিয়ন্ত্রীত হচেছ অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা

Tuesday, February 15, 2011

Classification of Computer (কমপিউটারের শ্রেণীবিভাগ )

আকৃতি, মূল্য, সংরক্ষণ ক্ষমতা, তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও কার্য সম্পাদন এবং ব্যবহারের সুবিধা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। আকৃতিগত ও ব্যবহারের ব্যাপকতার দিক থেকে কম্পিউটারকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। ভাগ গুলো হলো
  • সুপার কম্পিউটার (Super Computer) 
  • মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer)
  • মিনি কম্পিউটার (Mini Computer) 
  • মাইক্রো কম্পিউটার (Micro Computer)

Monday, February 14, 2011

Computer Basic (কম্পিউটার পরিচিতি)

কমপিউটার একটি জটিল ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র, যা ইউজারের দেওয়া অদেশক্রমে একটি নিদ্দিষ্ট কার্য্য সম্পাদন করে। কমপিউটারের যান্ত্রিক অংশকে হার্ডওয়ার বলে এবং আদেশকে সফটওয়ার বলে। হার্ডওয়ার হচেছ ঐ সমস্ত যন্ত্রাংশ যা সফটওয়ার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আর সফটওয়ার হচ্ছে এক গুচ্ছ ইলেকট্রনিক নির্দেশ যা কমপিউটারের ইনপুট, প্রসেসিং ও আউটপুটকে নিয়ন্ত্রন করে। হার্ডওয়ার হচ্ছে মানুষের শরীরের মত আর  সফটওয়ার  হচ্ছে আত্মার মত। আত্মা ছাড়া যেমন শরীরের কোন মুল্য নাই তেমনি সফটওয়ার ব্যাতীত কমপিউটার পরিত্যক্ত লোহা লক্কর ছাড়া কিছুই নয়। কমপিউটারকে যে মাধ্যমের দ্বারা নির্দ্দেশ দেওয়া হয় তাকে ইনপুট ইউনিট বলে যেমন কীবোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর যে মাধ্যমের দ্বারা কমপিউটার তার ফলাফল প্রদর্শন করে তাকে আউটপুট বলে, যেমন মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি। কমপিউটারে কোন ইনপুট দিলে তার ফলাফল প্রদর্শনের আগে যে সমস্ত হার্ডওয়ার সেই নির্দেশকে প্রসেস করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বলে, যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, র‌ম, রাম, বায়োস ইত্যাদি। আর যে সমস্ত যন্ত্রাংশ সমস্ত তথ্য ও উপাত্ত জমা করে রাখে পরবর্তী সময়ে প্রদর্শনের জন্য তাকে ষ্টোরেজ ডিভাইস বলে, যেমন হার্ডডিস্ক, সিডিরম , পেন ড্রাইভ ইত্যাদি। এই সমস্ত হার্ডওয়ারকে পরস্পরের সাথে সংযোগ ও সমন্বয় সাধনের দ্বায়ীত্ব উপর তার নাম মাদারবোর্ড। আমরা বাহির থেকে ইহাকে দেখতে না পেলেও ইহার গুরুত্ব অপরিসীম- নিরাপত্তার খাতিরে ইহাকে কেসিংয়ের ভিতরে সংরক্ষন করা হয়।
এই সমস্ত বিভিন্ন হার্ডওয়ারের কাজের সমন্বয় করার জন্য যে কমান্ড বা আদেশ দেওয়া হয় তাকে সিস্টেম সফটওয়ার বলে, যেমন - অপারেটিং সিস্টেম , বায়োস , সিমোস ইত্যাদি। অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়ারের নিয়ন্ত্রন ছাড়াও ব্যবহারকারীর জন্য লিখিত বিভিন্ন  প্রোগ্রামের জন্য কাজের পরিবেশ তৈরী করে। একটি কমপিউটার এসেম্বল করার পর সর্বপ্রথম যে কাজ তা হলো কমপিউটারে অপারেটিং সিস্টেম লোড করা। এর মাধ্যমে কমপিউটারে প্রান সঞ্চার হয়, তখন আমরা এর অস্তিত্ব টের পাই। উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক নামে অনেক অপারেটিং সিস্টেম আছে, তবে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজই সবচেয়ে জনপ্রীয়। আর ব্যবহারকারীর প্রয়োজন মত বিভিন্ন প্রকার কার্য্য সম্পাদনের যে সমস্ত  সফটওয়ার তৈরী করা হয় তাকে এপ্লিকেশন সফটওয়ার বলে, যেমন- ওয়ার্ড প্রসেসর, ডাটাবেস, গ্রাফিক্স ইত্যাদি। বর্তমানে শিক্ষা , চিত্তবিনোদন, খেলাধুলা, ইন্ডাষ্ট্রি , মহাকাশ অভিযান এবং তথ্য প্রযুক্তির উপযোগী হাজার রকম ব্যবহারিক সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার নির্মিত হচ্ছে।